করোনাঃ বরিশালে ২৪ ঘন্টায় শনাক্ত ২৪৭, মৃত্যু-৩

প্রকাশ: 8 April, 2021 11:59 : AM

বিগত ২৪ ঘন্টায় বরিশাল বিভাগে সর্বোচ্চ ২৪৭ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। আর করোনা পজেটিভ তিনজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। যা নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাড়ালো ২২১ জন।

মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ভোলা সদরের চরননোয়াবাদ এলাকার মোঃ মফিজুল ইসলাম (৬০), মুসলিমপাড়া এলাকারা এবিএম সামসুল হুদা (৭৫) ও পটুয়াখালী সদরের মোঃ শাহজাহান হাওলাদার(৬৫)রয়েছেন। এরমধ্যে এবিএম সামসুল হুদা ভোলা হাসপাতালে এবং বাকি ২ জন বরিশাল শের ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

এছাড়া গেলেঅ ২৪ ঘন্টায় বরিশাল শের ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে করোনার উপসর্গ নিয়ে আরো ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ডাঃ বাসুদেব কুমার দাস জানান, সকলকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলাচলের জন্য আহবান জানিয়ে বলেন, করোনার প্রথম ঢেউয়ে বরিশাল বিভাগে সংক্রমনের হার কম ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমনের হার বেশি। এই অবস্থায় শুধু করোনার টিকা গ্রহন করলেই চলবে না স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য দফতর বলছে, ২৪ ঘন্টায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে বরিশাল জেলায় ১০৭ জন। এরপর ঝালকাঠিতে ৩৭, পিরোজপুরে ৩৬, ভোলায় ৩৯, পটুয়াখালীতে ২৩ ও বরগুনায় ১৪ জন রয়েছেন। এ নিয়ে ১৩ মাসে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ১৪৮ জন। এরমধ্যে সর্বো্চ্চ বরিশালে ৫ হাজার ৫৪৭, এরপর পটুয়াখালীতে ১ হাজার ৮৭৯ জন, পিরোজপুরে ১ হাজার ৩৪৯, ভোলা ১ হাজার ২৮৫ জন, বরগুনা ১ হাজার ১০৯ জন এবং ঝালকাঠিতে ৯৭৯ জন।

এই ২৪ ঘন্টায় মাত্র ৩৫ জন রোগী বরিশাল বিভাগে করোনা সংক্রমন থেকে সুস্থতা লাভ করেছেন। যা নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ১০ হাজার ৭৪৭ জন। অর্থাৎ আক্রান্ত শনাক্তের মধ্যে ১ হাজার ৩৬১ জন করোনা রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এরমধ্যে কিছু রোগী হাসপাতালে, অন্যরা নিজ বাসায় চিকিৎসাধীন।

বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মারা গেছেন বরিশাল জেলায়। মোট মৃত্যুবরণ করা ২১৮ জনের মধ্যে বরিশাল জেলায় সর্বোচ্চ ৯৪ জন, এরপর পটুয়াখালীতে ৪৫ জন, পিরোজপুরে ২৭ জন, বরগুনায় ২২ জন, ঝালকাঠিতে ২০ জন এবং ভোলায় ১৩ জন ।

প্রসঙ্গত, বরিশাল বিভাগের মধ্যে সর্বপ্রথম ২০২০ সালের ৯ মার্চ নারায়নগঞ্জ ফেরত পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার এক শ্রমিক আক্রান্ত শনাক্ত হন। সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত ৩৯৫ দিনের আপডেটে এই তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।