বরিশালে নৃত্যশিল্পীদের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশ: 14 September, 2020 4:18 : PM

বরিশাল থেকে সরাসরি গত ১০ বছরে কোন নৃত্যশিল্পী ব্যক্তিগতভাবে বাহিরে যায়নি, আর যেসব শিল্পী গ্রুপের সাথে গেছেন তারা ফিরেও এসেছেন। এর বাহিরে শিল্পকলাসহ সরকারি বিভিন্ন মাধ্যমে বিদেশে গিয়েছেন তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নিয়মকানুন অনেকটাই কঠোর, ফলে ওইসব ভ্রমনে বিদেশে থেকে যাওয়া সম্ভব নয় বলে দাবি করেছেন বরিশাল নৃত্যশিল্পী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও নিত্তোঙ্গন নৃত্যকলা একাডেমির পরিচালক মুরাদজ্জামান খান। নারী পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া জাতীয় পুরষ্কারপ্রাপ্ত নৃত্যশিল্পী ইভান শাহরিয়ার সোহাগের সাথে জড়িয়ে মুরাদুজ্জামান খানসহ বরিশালের নৃত্যশিল্পীদের নিয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ জানিয়ে সোমবার দুপুরে বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।

এসময় তিনি বলেন, খেলাঘর থেকেই আমার নাচকরা শুরু। বরিশালের ছেলে নৃত্যশিল্পী ইভান শাহরিয়ার সোহাগ জাতীয় পুরষ্কারপ্রাপ্ত। আমিসহ বরিশালের বহু নৃত্যশিল্পী ছোটবেলা থেকে ইভানের সাথে নাচ করেছি। এরপর সে ঢাকায় যাওয়ার পর তার মতো করে ধাপে ধাপে একটি অবস্থানে চলে গেছে। তারপর একজন বন্ধু হিসেবে সোহাগের সাথে যোগাযোগ ছিলো। আর তাও একজন বন্ধু হিসেবে যে সম্পর্ক থাকা প্রয়োজন সেটা ছিলো, তবে ব্যক্তিগত জীবনের সাথে নয়।

তিনি বলেন, সোহাগের বর্তমান ঘটনাটি আমরা শুধু সংবাদ মাধ্যমের মাধ্যমেই জানতে পারছি, এর বাহিরে আমি ব্যক্তিগতভাবে এই বিষয়ে কিছু জানি না। কিন্তু একটি কুচক্রি মহল সমাজে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে বরিশালের একটি অনলাইনে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। যা সত্য নয় এবং ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক। সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য প্রমান ছাড়া আমার নাম জড়ানো হচ্ছে। প্রয়োজনে সকলেই তদন্তপূর্বক দেখতে পারেন। আর আমি যদি গোয়েন্দা নজরদারীতে থাকি তাহলে বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত থাকবো। কিন্তু তাও আমাকে করা হয়নি।

তিনি বলেন, ২০০৬ সালে থেকে আমি নিত্তোঙ্গন নৃত্যকলা একাডেমির পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করে আসছি। এমনকি দীর্ঘদিন ধরে সন্মানের সাথে বরিশাল রাষ্ট্রীয় প্রোগ্রাম করে আসছি। আর আমার কার্যক্রমের অনুকূলে আমি নিজেই এই পর্যন্ত ১২টি জাতীয় পুরষ্কার অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। এখনও আমার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রতি বছর জাতীয় পুরষ্কার পেয়ে আসছে। এই পর্যন্ত ১ শতাধিক শিক্ষার্থী জাতীয় পুরষ্কার পেয়েছে এবং প্রায় ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী দেশে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।