বরিশালে একাদশ শ্রেনীতে ভর্তি, বেসরকারি কলেজে বাড়তি ফি রাখার অভিযোগ

প্রকাশ: 13 September, 2020 6:00 : PM

সারাদেশের মতো ব‌রিশালেও একাদশ শ্রেণিতে ভ‌র্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সরকারি কলেজগুলোর বিরুদ্ধে তেমন কোন অভিযোগ না থাকলেও বেসরকা‌রি কলেজে সরকার নির্ধা‌রিত ফি’র থেকে বাড়তি টাকা আদায়ের অভিযোগ তুলেছেন অভিভাবক ও ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা।

তবে কলেজ কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে বৈধ বলে দাবি করলেও বোর্ড প্রশাসন বলছে অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি অভিযোগের সত্যতা পেলে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানাগেছে, রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টা থেকে বরিশাল ‌বোর্ডের অধীনে ৬ জেলায় সাড়ে ৩ শত কলেজে একাদশ শ্রেণির ভর্তির কার্যক্রম শুরু হয়। গেলো পরীক্ষার ফলাফলে বরিশাল বোর্ডে ৮৯ হাজার ৬৩৪ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে উর্ত্তীন্ন হয়।

আর সেখান থেকে ভ‌র্তির জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা ৭৮ হাজার ৫৬২ জন, যদিও এখন পর্যন্ত ভর্তি হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ৬৫ হাজার ৩৩৮ জনে। অপরদিকে শিক্ষাবোর্ডে এবারে মোট আসন সংখ্যা দেড়লাখের কাছাকাছি বলে জানিয়েছেন কলেজ পরিদর্শক মোঃ লিয়াকত হোসেন।

এদিকে শুরু হওয়া ভর্তির কার্যক্রমের প্রথম দিনেই বরিশাল নগরের বেস‌রকা‌রি অমৃত লাল দে কলেজে সরকার নির্ধা‌রিত ৩ হাজার টাকার স্থলে দুটি আলাদা ভাউচারে ৫ হাজার টাকা  নেয়ার অভিযোগ তুলেছেন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

পাশাপাশি অভিযোগ উঠেছে বৃ‌ত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী‌দের কাছ থেকেও বাড়‌তি এ টাকা নেয়ার।

যদিও নিয়মের মধ্যে থেকেই বাড়‌তি ২ হাজার টাকা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কলেজের অধ্যক্ষ স‌ুভাষ চন্দ্র পাল। তিনি জানান, সরকার নির্ধারিত নিয়মে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ফি ৩ হাজার টাকা রাখা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে। এরবাহিরে বেসরকারি কলেজের জন্য প্রদত্ত নিয়মানুযায়ী উন্নয়ন ফান্ডে নেয়া হচ্ছে ১ হাজার টাকা এবং চল‌তি শিক্ষাবর্ষের জুলাই ও আগস্ট মাসের বেতন ও ফরম বাবদ ১ হাজার টাকা নেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, উন্নয়ন ফান্ডে আমাদের সর্বোচ্চ দেড় হাজার টাকা নেয়ার অনুমতি রয়েছে, সেখানে কলেজ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা ১ হাজার টাকা নিচ্ছি। আর শিক্ষার্থীদের বেতন না নেয়ার বিষয়ে আমাদের নিষেধ করেনি কোন কর্তৃপক্ষ। তাই আমরা সেটি নিচ্ছি।

তিনি বলেন, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে যে টাকা নেয়া হচ্ছে, তা সিট প্রাপ্তির মাধ্যমে পরবর্তীতে ঠিক করে দেয়া হবে।  এতে কোন ধরণের সমস্যা হবেনা, আবার ভর্তির সময় অনেক গরীব শিক্ষার্থীর কাছ থেকে আমরা কম টাকাও নিচ্ছি।