ড্রিম লাইন মাদক নিরাময় কেন্দ্রের পরিচালক সহ ৫ জন হাজতে

প্রকাশ: 3 September, 2020 7:26 : PM

বরিশাল নগরীর ড্রিম লাইন মাদক নিরাময় কেন্দ্রের পরিচালক সহ ৫ জনকে হত্যার অভিযোগে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আনিছুর রহমান তাদের জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন।

আদালত সূত্র জানায়, হাজতে যাওয়া ৫ জন হচ্ছে ড্রিম লাইন মাদক নিরাময় কেন্দ্রের পরিচালক বাপ্পি সিকদার (৩৮),স্বেচ্ছাসেবক রায়হান (২০),রাব্বি (২০), পুরাতন রোগী বায়েজিত (২২), উজ্জ্বল সমদ্দার (৩০)। তাদের বুধবার র‍্যাব সদস্যরা আটক করার পর কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন রুপাতলী রেডিও সেন্টার সংলগ্ন খান বাড়ির নোমান খান।

অভিযোগে তিনি বলেন, তার ভাই সুমন খান তাদের মধ্যে ৪র্থ। সে দুই বছর পূর্বে গাড়ি দুর্ঘটনায় মাথায় আঘাত পেয়ে মানসিক সমস্যা পড়ে। তার ব্যাপারে চিকিৎসার জন্য ড্রিম লাইন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করলে তারা চিকিৎসার জন্য তাদের কেন্দ্রে নিয়ে চিকিৎসা দেয়। প্রতি মাসে ১০/১২ হাজার টাকা নিয়ে চিকিৎসা দেয়ার পরে তাকে বাড়িতে আনা হয়। বাড়িতে আসার পর সুমন কিছুদিন সুস্থ থাকার পর পুনরায় অসুস্থ হয়ে পড়ে। পুনরায় ড্রিম লাইন কর্তৃপক্ষর সাথে আলোচনা করলে অভিযুক্তরা তাদের বাড়িতে গিয়ে সুমনকে গলায় ও মুখে গামছা বেঁধে টানা হেচড়া করে। এতে সুমন অসুস্থ হয়ে পড়লে তারা ডাক্তার ডাকে। অবস্থা বেগতিক দেখে ডাক্তার চলে যায়। অভিযুক্তদের কতেক পালিয়ে যায় এবং বাকিরা অসুস্থ সুমনকে অটো গাড়িতে তুলে পালানোর চেষ্টা করে। পপরিস্থিতি খারাপ হলে র‍্যাব ৮ এ জানানো হয়। র‍্যাব সদস্যরা ওই ৫ জনকে আটক করে কোতোয়ালি মডেল থানায় জমা দেয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুমনকে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে পাঠায়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে মৃত্যু বলে ঘোষণা করে।

এধরনের অভিযোগ দিয়ে মামলা দায়ের করলে থানা পুলিশ ৫ জনকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে। আদালত তাদের জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন।